নেত্রকোণা

সোহাগের ‘গল্প’

প্রাপ্তি সেন গুপ্ত (১৩), ‍প্রিজম | 14 Apr , 2016  

সোহাগ তার বাবার দোকানে কাজ করে,তাই ইচ্ছে থাকলেও সে স্কুলে যেতে পারে না।

‘আম পাতা জোড়া, মারবো চাবুক চড়বো ঘোড়া’ এই ছড়াটি সবার জীবনে আসে না। কেউ কেউ পড়াশোনারও সুযোগ পায় না, খেলাধুলারও সুযোগ না।

‘আমার নাম সোহাগ, আমি দোকানদারি করি। আমি চা, পুরি, সিঙ্গারা বেচি। চা লইয়া যাই, চা দিয়া আই। দোকানদারি করি রাইত্রে বাসাত যাই। আবার সোয়া পাঁচটার সময় আই। পড়াশুনার ইচ্চা করে, বাপকে ছাইড়া যাইতে পারি না। বাবার ঋণ আছে শোধ করছি। আর আট দশ হাজার টাকা আছে, অইডা দিয়াই বাড়িত যামু তারপর লেহাপরা করমু।’

এখন সময় পড়াশুনা আর খেলাধুলা করার কিন্তু সে এখন তার বাবার সঙ্গে হোটেলে (রেস্তোরাঁয়) কাজ করে। (এখন) বাবাকে সাহায্য করাই তার প্রধান কাজ।

যে সময় তার খেলাধুলা আর পড়াশোন করার, তখন সে কাজ করে আমাদের চারপাশে এমন অনেক শিশুই আছে যারা এমন কাজ করে।

,